কুতুবদিয়া ঘুরে এসে

টাওয়ারের মতো উচু লোহার খুটির মাথায় বড় বড় পাখা এই জিনিস ছোট থেকে ছবিতে ভিডিওতে দেখে এসেছি আপনারও হয়তো দেখেছেন, বলছিলাম বায়ু বিদুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা উইন্ড মিলের কথা। খুব ছোট থেকে সামনে থেকে এই জিনিস দেখার একটা ফ্যাসিনেশন ছিলো আমার কুতুবদিয়া যাওয়ার প্রধান কারনই ছিলো উইন্ড মিল দেখা। তবে সাথে বোনাস হিসাবে ছিলো লবণ চাষ আর শান্ত শীতল শুনশান নিরিবিলি বীচে বসে সূর্যাস্ত উপভোগ করা।

:::কি কি দেখবেন:::

#বায়ু_বিদুৎ_কেন্দ্রঃ কুতুবদিয়ার সবয়েচে আকর্ষণীয় ব্যাপরাটাই হলো এই উইন্ড মিল। সমুদ্রের তীর ঘেষে দাড়িয়ে আছে দানব আকৃতির পাখাগুলো

#লবণ_চাষঃ সারা দ্বীপের অসংখ্য স্থানেই এই লবণ চাষ দেখতে পারবেন, লবন তুলে তুলে এক জায়গায় জমা করা হচ্ছে

#শান্ত_শীতল_বীচঃ খুবই শান্ত শীতল বীচ কোন মানুষের আনাগোনা নেই বললেই চলে, কেউ আপনাকে ডিস্টার্ব করতে আসবেনা। বীচ বসে থেকে অবশ্যই সূর্যাস্ত দেখে আসবেন।

::: সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার যে তিনটা জিনিসের কথা বললাম এগুলা উপভোগ করার জন্য আপনার আলাদা তিনটি জায়গাতে যেতে হবেনা। এক জায়গাতেই সব পেয়ে যাবেন অর্থাৎ বায়ু বিদুৎ উৎপাদনের ঐখানে গেলেই সব দেখা হয়ে যাবে:::

:::যাতায়াত:::
ঢাকা থেকে কক্সবাজার গামী যেকোন বাসে উঠে সুপারভাইজার কে বলতে হবে হারবাং নতুন রাস্তার মোড়ে নাববেন সেখানে নেমে সেখান থেকে সরাসরি সিএনজি নিয়ে কুতুবদিয়া দ্বীপে যাওয়ার ঘাটে চলে যাবেন। ঘাট থেকে আধাঘন্টা পরে পরেই ট্রলার ছেড়ে যাই কতুবদিয়াতে সন্ধ্যা পর্যন্ত ট্রলার ছাড়ে।
*চাইলে সারাদিন ঘুরে সন্ধ্যা সময় রওনা দিয়ে চলে আসতে, অথবা রাতে দ্বীপে থাকতেও পারেন থাকার জন্য বেশ কিছু হোটেল আছে ভাড়াও রিজনেবল।
*যেখানেই যাবেন খাবেন আগে থেকে দামাদামি করে বা দাম যেনে নিবেন মাঝে মাঝে টুরিস্ট দেখলে দাম বাড়ায় দেয়

আমাদের আশেপাশের পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরই। অন্যকেও কি করল না করল দেখে নিজের সক্ষমতার মধ্যে যতটুকু করা সম্ভব ততটুকু করার চেষ্টা করুন।