সুনামগঞ্জ টাংগুয়ার হাওর

বর্ষাকাল এখানের যাওয়ার সবচেয়ে উপযোগী সময় কারন তখন হাওর থাকে সবচেয়ে সুন্দর। মুলত জুন-জুলাই মাসে ট্যুরিস্ট এর সংখ্যা বেশি থাকে এখানে।

যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে শ্যামলি পরিবহন আছে সুনামগঞ্জ যায় রাতের বাসে উঠে পড়বেন পর দিন সকাল সকাল নামিয়ে দেবে সুনামগঞ্জ ভাড়া ৫৫০ টাকা।

তারপর সকালের নাস্তা করে সেখান থেকে রিজার্ভ সিএনজি তে করে চলে যাবেন তাহিরপুর। মুলত তাহিরপুর থেকেই টাংগুয়ার হাওর এর ট্রলারে উঠতে হয়। সিএনজি ভাড়া রিজার্ভ নিবে ৫০০ টাকা।

ট্রলার এর ব্যাপারটা হচ্ছে আগে থেকে বুক করে গেলে ভালো আর যদি বুক নাও করতে পারেন সেক্ষেত্রে তাহিরপুর ঘাটে ট্রলার পাবেন তখন নিজেরা দেখে এবং বার্গেট করে দুইদিনের জন্য ট্রলার ভাড়া করে বেরিয়ে পড়তে পারেন টাংগুয়ার হাওর,নীলাদ্রি লেক, লাকমাছড়া,বারেকের টিলা এবং শিমুল বাগানের উদ্দেশ্যে যদিও তখন শিমুল ফুল থাকে নাহ।

এবার আসি ট্রলার ভাড়ার ব্যাপারে মুলত এই খানে ট্রলার বিভিন্ন রেটের পাওয়া যায় ৭ থেকে ১২ হাজার টাকার মধ্যে ট্রলারের সাইজের উপর ও ভাড়া ডিপেন্ড করে আর যদি কেউ অফ ডে তে যায় সেক্ষেত্রে ট্রলার খরচ অনেকটাই কম পড়ে। আমাদের ট্রলার ১১ হাজার টাকা ভাড়া নিয়েছিলো বাবুর্চি খরচ সহ।

ট্রলারে উঠার আগে অবশ্যই তাহিরপুর বাজার থেকে সারাদিনের জন্য বাজার করে নিতে হবে খাবার দাবারের আয়োজন ট্রলারেই চলবে। এ ক্ষেত্রে ট্রলারের বাবুর্চি কে ১০০০ টাকা দিতে হয় দুই দিনের রান্নার জন্য।

ট্রলারে উঠে টাংগুয়ার হাওর এর উপর দিয়ে যেতে যেতে ওয়াচ টাওয়ার পড়বে সেখানে গিয়ে ঘুরতে পারেন এবং দুপুরের গোসল ও সেরে নিতে পারেন। তারপর নীলাদ্রি লেক যেতে যেতে বিকেল হয়ে যাবে। এবং বিকাল বেলা ট্রলার নীলাদ্রির পাড়েই থাকবে রাতে ঘুমাতে হবে ট্রলারে।

পরদিন ভোর সকালে উঠে স্থানীয় দের সাহায্য নিয়ে চলে যাবেন লাকমাছড়া দেখেতে এটি অনেকটা সিলেটের বিছানাকান্দির মতো। তারপর নৌকায় ফিরে এসে রওনা দিবেন বারেকের টিলা এবং শিমুলা বাগানের উদ্দেশ্যে দুপুর নাগাদ পৌছে যাবেন এবং সেখানে ঘুরা শেষে আবার তাহিরপুরের দিকে রওনা দিতে সন্ধ্যা/বিকাল নাগাদ তাহিরপুর পৌছে সুনামগঞ্জের উদ্দেশ্য রওনা দিতে হবে এবং তারপর রাতের বাসে ঢাকা।

নোটঃ আমরা যেখানেই ঘুরতে যাই না কেন সবসময় চেস্টা করবো পরিবেশের ক্ষতি না করে তা রক্ষা করতে। কারন প্রকৃতি আমাদের সম্পদ।